.

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন?

বিশ্বের যে সব দেশ কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সেই সব দেশ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের করুন্মধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশের সকল শ্রেণির শিক্ষিত জনগোষ্ঠি সমন্বিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে কারিগরি শিক্ষা। বিশেষ করে মধ্যমস্তরের কারিগরি শিক্ষা। অর্থাৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের এটি সরাসরি কারিগরি ও দক্ষ জনশক্তি ব্যবহারের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠির সম্পৃক্ততার হারের উপর গড় বাৎসরিক মাথাপিছু আর্ন নিবিড়ভাবে নির্ভরশীল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করায় আজ তারা উন্নত বিশ্বের কাতারে অবস্থান নিশ্চিত করেছে। বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। আর এ কারণে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার গুরুত্ব।নিশ্চিত করুন্মসংস্থানের একমাত্র এবং পরিক্ষিত মাধ্যম হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা।

সারা বিশ্বে জেনারেল শিক্ষার চেয়ে কারিগরি শিক্ষা বেশ জনপ্রিয় এবং মর্যাদাপূর্ণ। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সেমিস্টার পদ্ধতিতে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেননা এ কোর্স সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিতে ২য় শ্রেণির গেজেটেড করুন্মকরুন্তা হিসেবে যোগদান করা যায়। সরকারি-বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি বৈদেশিক করুন্মসংস্থানেরও রয়েছে যথেষ্ট সুযোগ। আর কেউ উচ্চতর ডিগ্রি নিতে চাইলে সে সুযোগতো রয়েছেই। ডিপ্লোমা পাশ করার পর B.Sc. ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ ছাড়াও ২ বছরের A.M.I.E পরীক্ষার মাধ্যমে B.Sc. ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর মর্যাদাপূর্ণ চাকরি অথবা পছন্দমত ব্যবসা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। ডিপ্লোমা কোর্সের সার্টিফিকেট সারা বিশ্বে স্বীকৃত। সেশনজট মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা। কারা পড়বেন ডিপ্লোমা( করোনাকালীন সময়ে সেশনজট হয়েছে)

 

কেন খাজা পলিটেকনিক?

দেশের সর্ববৃহৎ আইটি পার্ক সম্বলিত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এটি যার ক্যাম্পাস ১ বিঘা জমির উপর নির্মিত। খাজা পলিটেকনিকের রয়েছে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য নিজস্ব হোস্টেল সুবিধা। যেখানে খুবই স্বল্প খরচে ছাত্র-ছাত্রীরা থাকতে পারে। বর্তমানে আমাদের রয়েছে সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার, মেকানিক্যাল ও মেকাট্রনিক্সের মত যুপোগযোগী বিষয়াবলি। এখানের মূল ফোকাস মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করা এবং শিক্ষার্থীদের তাদের নির্বাচিত ক্ষেত্রে আগামী দিনের নেতা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া। আমরা গর্ব এবং কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করি যে,  আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা  তাদের পেশাগত জীবনে বেশ সফলতা ও স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

  • ৪৫০ টি কম্পিউটার সংবলিত দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারী আইটি পার্ক।
  • দেশের সর্ববৃহৎ (প্রায়৭০ হাজার স্কয়ার ফিট) আইটি/ল্যাংগুয়েজ ট্রেনিং ইন্সটিটিউট।
  • ভাষাগত দক্ষতাসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করা।
  • প্রতি সেমিস্টারে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুরের মাধ্যমে হাতে-কলমে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা।
  • টেকনিক্যাল ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষক দ্বারা এমনভাবে পাঠদান দেওয়া হয় যে, কোন প্রকার গৃহ শিক্ষকের প্রয়োজন পরে না।
  • অপেক্ষাকৃত দূর্বল/পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ব্যাচের ব্যবস্থা।
  • সরকারী / বেসরকারী ট্রেনিং প্রদানের ক্ষেত্রে আমরাই সবচেয়ে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান।
  • ঢাকার বাইরে ১৯ টি জেলায় নিজস্ব অফিস এবং অবশিষ্ট জেলাসমূহে অফিস নির্মান কার্যক্রম চলমান।
  • নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে হোস্টেল ব্যবস্থা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে থাকার ব্যবস্থা।
  • শিক্ষার্থীদের জন্য থাকা- খাওয়া ও চিত্তবিনোদনের সুব্যবস্থা।
  • সরকারীভাবে ৩২ হাজার টাকা উপবৃত্তির ব্যবস্থা।
  • কমিউনিকেশন স্কিলবৃদ্ধির জন্য ইংরেজী ও অন্যান্য ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা।
  • ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা, যা থেকে ছাত্র- ছাত্রীরা Information Super Highway থেকে শিক্ষণীয় বিষয় আহরণ করতে পারে।
  • এসএমএস -এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদানের ব্যবস্থা।
  • সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎও লিফটের ব্যবস্থা।